ক। আমাদের সংগঠনের নাম হ ভেসজ (ভেজালমুক্ত সমাজের জন্যে) সমবায় সমিতি লিঃ
খ। আমাদের লক্ষ্য:সকল প্রকার ভেজাল , ক্ষতিকর, অস্বাস্থকর ও দূষনের বিপক্ষে এবং সার্বজনিনতার পক্ষে সচেতনতায়
বৈপ্লবিক ভ’মিকা রাখা।

আমাদের উদ্দেশ্য:

(১) পারস্পরিক সহযোগিতার নিমিত্তে মেধার সমন¦য় ও বিকাশ করা।
(২) সকল ভেজাল/দুষণ থেকে মুক্তির চূড়ান্ত প্রচেষ্টা করা ।
(৩) অর্গানিক খাবার উৎপাদন,সংগ্রহ ও বিপনন উদ্বুদ্ধ করা ।
(৪) যে কোন মাদক বা তৎসংশ্লিষ্ট নেশাগ্রস্ততা থেকে নিজে বিরত থাকা এবং অন্যকে বিরত রাখার চেষ্টা করা।
(৫) বিষাক্ত, ভেজালযুক্ত,নিজের ও সমাজের জন্য ক্ষতিকারক কোন কিছুই আমাদের সংগঠনের উদ্যোগে সংগ্রহ,বিতরন,বিপনন করা হবেনা।
(৬) সমন্বিত ও সম্মিলিত হালাল ব্যবসার প্রয়াস চালানো।
(৭) পারস্পরিক অর্থনৈতিক উন্নতি সাধন করা।
(৮) বেকারত্ব দূরীকরন ও কর্মসংসংস্থান সৃষ্টি করা।

আমাদের লক্ষ্য:

সকল প্রকার ভেজাল,ক্ষতিকর, অস্বাস্থকর ও দূষনের বিপক্ষে এবং সার্বজনিনতার পক্ষে সচেতনতায় বৈপ্লবিক ভ’মিকা রাখা।

আমাদের সমিতির যারা সদস্য হবেন:

ক) যে কোন প্রকার মাদক ও নেশামুক্ত হতে হবে।
খ) কমপক্ষে ১৮ বৎসর বয়সী বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
গ) রাজনৈতিক মতাদর্শের উর্ধ্বে থাকতে হবে ।
ঘ) যে কোন ধর্মোবলম্বী হতে পারবেন।
ঙ) সংগঠনের সকল সভায় মার্জিত কিন্তু ষ্পষ্ঠ মত প্রকাশের অধিকারী হবেন।
চ) রাষ্ট্রীয় আইন শংখলা পরিপন্থী কাজে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তি সদস্য হওয়ার অযোগ্য।
ছ) তহবিল গঠনের নিমিত্তে মাসিক নির্ধারিত হারে আমানত দিতে সম্মত হতে হবে।
জ) সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের এবং নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্যশীল হতে হবে।
ঝ) ফোরমের বাইরে সমালোচনাকারী এবং গ্রুপ সৃষ্টিকারী হতে পারবেন না।

আমাদের কার্যক্রম:

* সদস্যগনের নিয়মিত আমানত সংগ্রহ ।
*সম্মিলিত ফান্ডকে বৈধ ব্যবসার মাধ্যমে সংগঠনকে অর্থনৈতিকভাবে মজবুত করা।
*ক্রমান্বয়ে নির্ভেজাল পন্য দব্য উৎপাদনে পদক্ষেপ নেয়া।
*অর্গানিক খাদ্য-দ্রব্য সংগ্রহ, উৎপান ও বিপনন করা।
*পরিবেশ দূষণ, জলবায়ু দূষণ রোধে সরকারী বেসরকারী সকল কার্যক্রমকে সহযোগিতা বা তরান্বিত করা।
*সকল প্রকার ভেজাল দূষনের বিপক্ষে গনসচেতনতা তৈরীতে বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহন
*সভা,সেমিনার ,সিম্পোজিয়াম ও গোলটেবিল বৈঠক ইত্যাদি করা।
*লিফলেট,ষ্টিকার পোষ্টারিং ইত্যাদি করা।

সাংগঠনিক অবকাঠামো হবে দুই স্তর বিশিষ্ট

(ক)কার্যকরী পরিষদ (খ) সাধারণ পরিষদ

(ক) কার্যকরি পরিষদ হবে ৭ সদস্য বিশিষ্ট
১। সংগঠনের একজন সভাপতি থাকবেন।
২। এক জন সহসভাপতি থাকবেন;
৩। একজন সেক্রেটারী ও একজন সহ সেক্রেটারী থাকবেন
৪। একজন অর্থ সম্পাদক ও
৫। দুইজন কার্যকরী পরিষদ সদস্য থাকবেন

(খ) সাধরণ পরিষদ
১। সংগঠনের সাধারণ পরিষদের সদস্য থাকবেন ২১ জন (কার্যকরী পরিষদ সদস্যসহ)।

ছ। সভাসমূহের কোরাম গঠন
১। সংগঠনের উভয় পরিষদের সকল সভায় দুই-তৃতীয়ংশ সদস্যের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক ।
২। দুই-তৃতীয়ংশ সদস্যের উপস্থিতি না হলে সভা মূলতবি হবে এবং পূনবায় বৈঠক আহবান করবেন।

জ। সভা আহবান
১। সেক্রেটারী যে কোন সভা আহবান করবেন সভাপতির সাথে আলোচনা করে।
২। সভাপতি ও সেক্রেটারীর বাইরে অন্য কেই কোন সভা আহবান করবেন না।
৩। কার্যকরী পরিষদ নিয়মিত মাসিক সভা করবেন;প্রয়োজনে একাধিক সভা করবেন।
৪। সাধারণ পরিষদ প্রতি ৪ মাস অন্তর একটি করে সভা করবেন এবং বার্ষিক সাধারণ সভা করবেন।

ঝ। সদস্য অন্তর্ভূক্তকরন ও বহিষ্কারকরণ
১। যে কোন কেউ নতুন সদস্য সংগঠনভ’ক্ত করতে চাইলে কার্যকরী পরিষদে পেশ ও অনুমোদনের মাধমে সিদ্ধান্ত ছ’ড়ান্ত হবে।
২। এই সংগঠনের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী ও ইমেজ ক্ষুন্নকারী কর্মকান্ড কিংবা চরিত্রগত পদস্খলন কিংবা অর্থ তছরুপজনিত অভিযোগ প্রমাণীত হলে কার্যকরী পরিষদের সভায় সিদ্ধান্তক্রমে বহিষ্কার করতে পারবেন; তবে অভিযোগকারীর অভিযোগ প্রমানীত না হলে অভিডোগকারীকেই বষ্কিার করা হবে। সদস্যগনের এক বা একাধিক ব্যাক্তির ব্যাক্তিগত সমস্যা বা দ্বন্দ্ব সভার এজেন্ডাভ’ক্ত হবেনা: উহা নিজেদের মধ্যেই সমাধান করতে হবে।
৩। কার্যকরী পরিষদের কোন পদাধিকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে উহা কার্যকরী পরিষদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তেই সম্ধান হবে। যদি কার্যকরি পরিষদে সমাধান না হয় তবে সাধারণ পরিষদের দুই তৃতীয়াংশের মতামতের আলোকেই ছ’ড়ান্ত হবে।
ঞ। পরিষদের কার্যকাল ও নির্বচন
১। কার্যকরী পরিষদ ও সাধারণ পরিষদের এক সেশনের মেয়াদকাল হবে তিন বছর।
২। তিন বছর অন্তর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে যা পরিষদের বাইরের তিন সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করে তাঁদের দায়িত্বে সম্পন্ন করবেন।
৩। নির্বাচনে কেউ প্যার্থী ঘোষনা করা কেম্পেইন করা ইত্যাদি চলবেনা। অধিকাংশ সদস্যের ভোটে নির্বচিতরাই কমিটি গঠন করবে।
ট। পদত্যাগ বা বিদায়
যে কেউ বিদায় নিতে তথা চলে যেতে চাইলে সভাপতি বরাবর আবেদন করবেন এবং আবেদনের পরবর্তী কার্যকরী পরিষদে উহা অনুমোদন করতঃ সিদ্ধান্ত গ্রহনের এক মাসের মধ্যে প্রাপ্য টাকা চেকের মাধ্যমে দিয়ে দেওয়া হবে।

 

জনাব/জনাবা,
সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে একটা অতী গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোকপাত করছি। মহাপরাক্রমশালীর অনেক আগ্রহ ও ভালাবাসার বহিঃপ্রকাশ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানব জাতি আজ নিজেরাই নিজেদের প্রতি জুলুমে জর্জরিত। মানবের মানবতা আজ চরমভাবে বিপন্ন,ক্ষত-বিক্ষত ও মর্মাহত। অনেক প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলার মোকাবেলা আমারা করছি; তবে সর্বমহলের সবাই একটা বিষয় নির্বিগ্নে বা নির্ধিধায় ও অকপটে স্বীকার করবেন যে, আমরা চতুর্মূখী ভেজালের মধ্যে আকন্ঠ নিমজ্জিত। আমরা চলছি ফিরছি, কাজ-কর্ম সবই করছি; কিন্তু প্রতিদিন প্রতিক্ষণে পানাহার বা খাবার হিসাবে যা খাচ্ছি তার একটা মিনিমাম পার্সেন্টেজও আমরা নির্ভেজাল বা দূষনমুক্ত পাচ্ছিনা তথা খাচ্ছিনা। সবাই বিচলিত, চিন্তিত, ব্যাথিত ও মর্মাহত; অথচ সবাই নির্বিকার। সবাই উপলব্ধি করছি আমরা এমন এক ভয়াবহ অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া জরুরী; কিন্তু কেউ কোন পদক্ষেপ নিচ্ছিনা। জেনে-বুঝে বিষ পান করছি, আবার বিষের আক্রমন থেকে বা ক্ষতি থেকে বাঁচারও আশা পোষণ করছি। কি এক অদ্ভ’দ স্ববিরোধী আচরন নিয়ে চলছি। কেউ কোথাও একটা শক্ত উদ্যোগ নিচ্ছেনা, এমন বিষাক্ত ছোবল থেকে রক্ষা পাওয়ার নিমিত্তে! কেমন যেন এক অজানা গন্তব্যে ধেয়ে চলছি আমরা সকলে মিলে! এমন উদ্বিগ্ন ও উৎকন্ঠা থেকে মুক্তির প্রয়াস হিসাবে আমরা মুষ্টিমেয় কয়েকজন দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নিজেরা বাচাঁর চেষ্টা করবো, সমাজকে বাঁচানোর জন্য প্রচেষ্টা চালাবো,সমাজ ও রাষ্ট্রকে এহেন কর্মকান্ডে সহযোগিতা করবো। আমাদের এমন পথ চলাতে আপনার মেধা, বুদ্ধি, প্রজ্ঞা ও সম্পৃক্ততা আমাদেরকে অনুপ্রাণীত করবে এমন প্রত্যাশা করছি।

ধন্যবাদান্তে
মোঃ আবদুর রহিম
সাবেক…….কর্মকর্তা
বিশ্ব ব্যাংক, ইউ এস এ।